উইন্ডোজ-১১ এর সংসারে নতুন অতিথির আগমন যার নাম লিটল বা লাইট টিনি-১১

 

প্রিয় দর্শক,  সম্প্রতি  উইন্ডোজ-১১এর একটি নতুন মাইলফলক বা নয়া ভার্সন টিনি -১১ NTDEV নামের

একজন ডেভলপার আবিষ্কার করেছেন। যেটি লো কনফিগারেশনের ডেস্কটপ বা ল্যাপ্টপে চালাতে পারবেন। এইটা উইন্ডোজ-১১ এর একটি নতুন  লাইট ভার্সন Tiny-11 উদ্ভাবন করেছেন। টেক দুনিয়ার মোটামুটি একটি নতুন রূপ বা কাঠামোর  সূচনা এনে দিয়েছে   তবে  এই ভার্সনটি পরীক্ষামূলক পরিস্থিতিতে রয়েছে। 

এই ভার্সনটি যেকোনো এন্ড ইউজার ব্যবহার করতে পারবেন। বলা বাহুল্য এইটা এমন একটা  ভার্সন যেইটা কিনা উইন্ডোজ অপারেটঁং সিস্টেমে চলে এই ধরণের ডিভাইস গুলোতেও চালাতে পারবেন।  

সবচেয়ে মজার বিষয় হলো যে উইন্ডোজ-১১ এর ফাইল সাইজ  ৬৪ জিবি সেই সাথে এও বলে রাখা ভালো যে এটির শুধুমাত্র ৬৪ জিবি ফাইল স্টোরেজ রয়েছে কিন্তু ৩২ জিবি স্টোরেজ নেই।

 কিন্তু  যদি এইটার কিছু বাড়তি ফিচার  বাদ দেওয়া হয় তাহলে বড়জোর ২০ জিবির মতো  কমানো যাবে কিন্তু  আপনি এইটা যেনে হতবাক হবেন যে Tiny-11 উইন্ডোজ নয় অ্যান্ড্রয়েড-এর জায়গা পর্যন্ত নিয়ে নিতে পারে এর মানে হলো Tiny-11  ফাইল সাইজ দুই জিবি যখন ইন্সটল দিবেন তখন দুই জিবির চাইতে একটু বেশি জায়গা নিবে ।।  

তাহলে চলুন মূল আলোচনায় যাওয়া যাক বেশি বকবক না করে.........

Tiny-11 কি?

Tiny-11 একটি  Windows -11-এর  পরীক্ষামূলক অপারেটিং  সিস্টেম যেটি উইন্ডোজ -১১ এর লাইট ভার্সন মনে করা হচ্ছে।এটি কেবল ৮জিবি ডিস্ক স্টোরেজ এবং 2000এম্বি-২জিবি র‍্যাম-এ ইন্সটোল করা যাবে যেইসব কম্পিউটার  ১ম ও ২য় জেনারেশনের এবং এবং ছোট ও পুরাতন মডেলের পিসিগুলোর জন্য আদর্শ সংকলন যা বলার অপেক্ষা রাখে না।

 আমরা সবাই জানি যে উইন্ডোজ -১১ এর ৬৪ জিবিসাইজের একটি অপারেটিং সিস্টেম যেটি ডেস্কটপ এবং ল্যাপ্টপ ডিভাইসের জন্য খুবই উপযোগী যেসব কম্পিউটারের  সিস্টেম কনফিগারেশন অর্থাৎ ৬৪ জিবির উপরে এবং ৮ জিবির যাদের র‍্যাম সেই সব ডিভাইস তাদের ডীভাইসেই কেবল ইন্সটল করা যাবে । 








এইটি মাইক্রোসফটের অফিসিয়াল কোনো সম্পাদনা না এইটা NTDEV নামের একজন ডেভলপার এই টিনি-১১ এর উদ্ভাবক। তিনি   Tiny-11 নামের একটি অপারেটিং সিস্টেম ডিজাইন করেছেন যেইটি মাইক্রোসফটের  Windows-11 এর আদলে তৈরী করা একটি সংক্ষিপ্ত রূপ।

যেটির সবচেয়ে বড় ধামাকা হচ্ছে এইটি  যাদের ডিভাইসে অর্থাৎ যাদের পিসি তুলনামূলক কম  প্রসেসর কোরের অথবা উইন্ডোজের পুরাতন ভার্সনগুলো যেমন উইন্ডোজ এক্সপি(XP) , 




উইন্ডোজ ভিস্টা (Vista),উইন্ডোজ-২০০০ , এবং উইন্ডোজ-২০০৭ এর  জন্য আদর্শ একটি অপারেটিং সিস্টেম । কারণ যারা উইন্ডোজ-১১ এর প্রিমিয়া্ম ভার্সন ব্যবহার করতে পারছেন না তাদের কিংবা যারা উইনন্ডোজ-১১ এর পাড় ভক্ত যার মনে হয়েছে যদি এমন হতো আমি আমার পিসিতেও উইন্ডোজ-১১ ইউজ করবো আজ তাদের জন্যই আমি টিনি-১১  মনে হয়েছে আমার ট্যাবলেটে-এ কিংবা আব আমার আইপ্যাডে ব্যবহার করবো তাদের জন্য টিনি-১১ এক স্বপ্নপূরণীয় সংযোজন।  


Tiny-11 কিভাবে  কাজ করে ?

Tiny-11 23H2 মাইক্রোসফট-এর অফিসিয়াল প্রডাক্ট Windows-1122H2 এর সংক্ষিপ্ত , সাধারণ ও সরলীকৃত  একটি রূপ যেটা মূল উইন্ডোজ-১১ নয় এবং মূল উইন্ডোজের যে ফাংকশনস এবং ফিচারগুলো রয়েছে তা Tiny-11-এ কাটছাট করা হয়েছে ।

 যেখানে মূল উইন্ডোজ-১১ ৬৪ জিবির সেখানে অপারেটিং সিস্টেম সেখানে মূল সিস্টেমের নিম্নোক্ত উপাদান বা অ্যাপসগুলো নেই।যেমনঃ-

1.Clipchamp

2.News

3.Weather

4.X-Box

5.Get Help

6.GetStarted

7.OfficeHub

8.Solitaire

9.People App

10. Power Automate

11.ToDO 

12.Alarms 

13.Mail & Calendar

14.FeedBackHub

15.Sound recorder

16.Your phone 

17.Media Player 

18.QuickAsist

19.Internet explorer

20. LA-57 

21. OCR(Optical character Reader) for en-US

22.TTS for en-US 

23 Media player legacy

24.Tablet PC Math

25.Wallpapers

26.Microsoft Edge

27.Onedrive

28.Windows Antivirus Defender(Virus-protected)

29.Microsoft Teams


উপরোক্ত অ্যাপস এবং ফিচারগুলো Tiny-11 23H2 Windows-11 22H2  থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। কিন্তু তাছাড়াও এখানে ইন্সটলেশন স্পিড এবং এর ব্রাউজিং এবং ইন্টারনেট স্পিড খুব বেশি খুশি হওয়ার মতো কিংবা সন্তুষ্ট থাকার মতো নয় ।

নিচে Tiny-11 এর  ইন্টারফেস এবং সম্পূর্ণ সিস্টেমের একটি ব্রিফিং লিংক দেওয়া হল-- 

https://www.youtube.com/watch?v=Y8YIadhWbho





এইটার পারফরমেন্স এবং ভারী সফটয়্যার এমনকি এক্সবক্স গেমিং এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ ফিচারসগুলো যেমন অ্যান্টিভাইরাস প্রটেকক্ট ভাইরাস ডিফেন্ডার এবং মাইক্রোসফট এইজ ব্রাউজার এবং উইন্ডোজ কম্পোনেন্ট স্টোর এবং উইন্ডোজ আপডেটসহ বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ অ্যাপ্স বাদ দেওয়া হয়েছে। 

কিন্ত  এইটি নিয়ে তেমন একটি খুশির হওয়ার মতো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যাচ্ছে নাহ Tiny-11 ব্যবহারকারীদের মধ্যে কেউ কেউ এইটা নিয়ে অভিযোগ জানিয়েছেন  ৬.৩৪ জিবির আইএসও ফাইল বা অপারেটিং সিস্টেম এইটি ইন্সটলেশন স্পিডও বেশ  ভীতি ও প্রশ্নের  উদ্রেক করেছে Tiny-11 এর আয়ুর ব্যাপ্তি নিয়ে।  

এইটির পারফরমেন্স ব্রেক ও ল্যাক করছে। উইন্ডোজের অনেক কাজের উইজেট এবং ফিচারগুলো এখানে ব্যবহার করা হয় নি যাতে  লো কনফিগারেশনের পিসি-ইউজাররা এইটার পূর্ণ স্বাদ নিতে না পারলেও অন্তত ছুঁয়ে দেখতে পারে। যারা উইন্ডোজ -১০ থেকে শিফট করতে চাইছেন উইন্ডোজ -১১-এ তারা একটু খানি চাইলে  Tiny-10 এবংTiny-11 ব্যবহার করে দেখতে পারেন। ।

টিনি-১০/ টিনি-১১ এর মজার বিষয় হলো এইটা যথেষ্ট লাইটওয়েট এবং বেশ ধীরগতির ।

 

টিনি-১১ এর সুবিধাসমূহ.....................

১.  ন্যূনতম অপারেটিং সিস্টেম কম্প্যাটিবিলিটি  ৮জিবি ডিস্ক স্টোরেজ এবং ২০০এম্বি -২জিবি র‍্যামবিশিষ্ট  পিসি বা ডিভাইস হলেই Tiny-11 আপনার পিসিতে  ।

২. পুরাতন ডিভাইস বা পিসিতে এটা ব্যবহার উপযোগী।

৩.  অ্যাক্টিভেটেশন ঝামেলামুক্ত।

৪. স্বয়ংক্রিয় উইন্ডোজ আপডেটমুক্ত। 

৫. এটাতে বিল্ড-ইন নেটওয়ার্ক আপডেট দেওয়া যায় না তবে  অন্য যেকোনো সোর্স বা ব্রাউজার থেকে প্রয়োজনীয় বিভিন্ন ড্রাইভার আপডেট ও ইন্সটল করা যাবে। 

৬. মাইক্রোসফট কম্পোনেন্ট স্টোর নেই তাই উইন্ডোজ নিয়মিত আপডেট এবং অপারেটিং সিস্টেমের নিরাপত্তাখাদ  তৈরী হয়েছে।

৭. উইন্ডোজ-এর ডিফল্ট অ্যান্টিভাইরাস ডিফেন্ডার বা ভাইরাস ক্লিনার নেই।

৮. Tiny-11 এবং Windows-11 এর UI(ইউজার ইন্টারফেইস) এবং  উইন্ডোজ এক্সপেরিয়েন্স  একই। 

Tiny-11 এর অসুবিধা বা সমস্যাসমূহ............ 

১. Windows Update, Microsoft Edge, Microsoft Teams, Microsoft  Component Store,Windows-11 ডিফল্ট অ্যান্টিভাইরাস ডিফেন্ডার  ইত্যাদি গুরুত্বপূর্ণ সফটওয়্যার না থাকার ফলে সিকিউরিটি সিস্টেম ক্রমাগত আপডেটেড থাকাটা অনেক অনেক ঝুঁকির মুখে ফেলে দিচ্ছে সেই সাথে  কম্পিউটারের হেলথ-সম্পর্কিত ইস্যু রীতিমত চিন্তার কারণ হয়ে দাড়িয়েছে। 

২.   এই ভার্সনটি মাইক্রোস্ফটের নিজস্ব ভার্সন নয় তাই মেইন্টেনেন্স ঝুঁকি তো রয়েছেই । 

৩. এটি এক্টিভেটেড করা যায় না তবে একটি ভেলিড লাইসেন্সড কি দিয়ে এইটা চালাতে হয় উইন্ডোজ -১১ এর মতোই। 

৪.Tiny-11 ইন্সটল এবং ব্যবহারের কম্পিউটারের উপর বাড়তি চাপ পড়বে নাহ এবং ব্রাউজিং স্পীডও বাড়বে আলোর গতিতে।

৪. এইটি যাদের ৩ জিবি রেম এবং ৮জিবি  বা ১৬ জিবি স্টোরেজ তাদের ফোনের জন্য সবথেকে কম্প্যাটীবিলিটি বা উপযোগী হবে কিন্তু পারফরমেন্স এবং অন্যান্য  অনেক ফাংশন্স ও ফিচারস এখানে নেই যা কেবল  নরমাল ইউসেজ-এর জন্য ডিজাইন করা হয়েছে যা এর শুধুমাত্র ব্যবধানটাই কমিয়েছে ।

৫. এইটিতে উইন্ডোজ-এর বেসিক কাজ গুলো অনায়াসেই করা যাবে যেইটা ফিচারিস্টিক উইন্ডোজ-১১ এর কাছাকাছি যেতেও পারছে না  

৬. . Tiny-11  যদি অফিসিয়ালি   সফটওয়্যার মার্কেটে আসে  তাহলে এটা অরিজিনালের স্বাদ না দিতে পারলেও

আপনাকে সত্যিকারের দুধের স্বাদ ঠিকই  ঘোলে মিটানোর মতো  এবং যারা অরিজিনালি Tiny-11 সাথে লাইসেন্সড কি সহ বা প্রোডাক্ট কি সহ নিতে চান তাদের জন্য এইটাতে তেমন একটা  খুবই অল্প খরচে কিনতে পারবেন বলে আশা রাখি।

৭.এটাতে বিল্ড-ইন নেটওয়ার্ক আপডেট দেওয়া যায় না তাই নেটওয়ার্ক অ্যাডাপ্টার ব্যবহার করার জন্য বা ইন্স্টল করার জন্য  মাইক্রোসফট স্টোর থাকা দরকার সেইটা নেই তাই অনেকখানি বেগ পেতে হবে এবং মাইক্রোসফটের Windows-11 এর কাছাকাছিও এইটা নেই।

৮. Tiny-11 বিরাট বড় একটি সিকিউরিটি হোল আছে যেটি বেশ চিন্তায় ফেলছে সেটি হলো এটির উইন্ডোজের অটো আপডেট অপশন না থাকা  যেইটা ম্যানুয়ালি করতে হয়

 কিন্তু  

 ডিফল্ট Windows-11 এর অটো আপডেটেড় বিপরীত এইটা অনেক বিশাল সিকিউরিটি ও প্রাইভেসি রিস্কস যা অনেকটা তলাছেঁড়া মানিব্যাগের মতো। 

৯. Tiny-11 শুধুমাত্র পুরাতন মডেলের এবং যাদের ডিভাইস-এ নিয়মিত উইন্ডোজ আপডেট দিতে হয় তাদের জন্য তুলনামূলকভাবে বেশ উপকারী বলা যায় কিন্ত এইখানেও যথেষ্ট অপারেটিং সিস্টেমের দুর্বলতা , সিকিউরিটি জটিলতাসমূহ কোনোভাবেই হালকা ভাবে নেওয়ার সুযোগ নেই কিংবা উপেক্ষণীয় নয় ।     


সবশেষে এইটাই বলবো Tiny-11 এই মিনি চমক আপনাদের জন্য আশীর্বাদ নাকি অভিশাপ তা আপনারাই বিচার করুন।।

যাদের জন্য টিনি-১১ ...... 

১. ন্যূনতম অপারেটিং সিস্টেম কম্প্যাটিবিলিটিঃ অপারেটিং সিস্টেম যাদের সিস্টেম কনফিগারেশন বা রিকোয়ারমেন্টস অত্যন্ত কম তাদের জন্য টিনি-১১ সবচেয়ে ভাল বিকল্প হতে পারে  উইন্ডোজ সুইচিং-এর ক্ষেত্রে।

২.   পিসি বা ডিভাইস বা ট্যাবলেট স্টোরেজ সীমাবদ্ধতাঃ যাদের ডিভাইসে ৮জিবি স্টোরেজ এবং কমঅপক্ষে ২জিবির উপরে র‍্যাম রয়েছে তাদের জন্য এই অপারেটিং সিস্টেমটা  অনেক কাজের।

বিশেষ করে যারা উইন্ডোজ-১০/১১ প্রেমী তারা অন্তত একবার হলেও এটি  ব্যবহার করে দেখতে পারেন।। 

৩. বেসিক ব্যবহারকারীঃ যারা মূলত গেইমিং, সিনেমা দেখা বা অন্যান্য ইন্টারনেট ব্রাউজিং হরহামেশাই করেন না বা সাধারণ হালকা-পাতলা মাইক্রোসফট ওয়ার্ড এক্সসেল, বা মাইক্রোসফট-৩৬৫ এইগুলো মোটামুটি দৈনন্দিন ব্যবহার্য অ্যাপস-এর মধ্যে পরে তারা এইটা ব্যবহার করতে পারেন। 

 Tiny-11 কতটা নিরাপদ  নাকি আসন্ন নিরব  বিপদ!!!!

Tiny-11 তার স্বকীয়তা কিংবা সফলতা বলতে এখন পর্যন্ত  সবচেয়ে বহনযোগ্য কিন্ত অনির্ভরযোগ্য একটি অপারেটিং সিস্টেম যেটি কেবল মূল উইন্ডোজ-১১ এর একটি সহজে যেকোনো ডিভাইসে ব্যবহারযোগ্য একটি ক্ষুদ্র ও সরল  বিশেষিত ভার্সন। তাই এইটার সর্বজনস্বীকৃত  গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে যথেষ্ট প্রশ্নের অবকাশ রয়েছে বৈকি। কার্যতঃ এইটা  ভবিষ্যতে কতদূর অগ্রসর হবে তা জানা নেই তবে এটি পরীক্ষামূলক অবস্থায় রয়েছে।

পরিশেষে, এইটাই বলতে পারি আমার ব্যক্তিগত মতামতের যদি প্রশ্ন আসে তাহলে আমার এক কথায় এটিই উত্তর হবে ----

আমি  Tiny-11 Windows-11 কে টেক্কা বা টক্কর অথবা উত্তরাধিকারি হয়ে উঠতে পারবে কিনা তা বলা মুশকিল এবং ঠিক সেই কারণেই Tiny-11  এর বর্তমান অনেক সিস্টেম এখনো পুরোপুরি ব্যবহারযোগ্য নয় এবংএইটার ব্যবহার যোগ্যতা অতঃপর  জনপ্রিয়তা নির্ভর করছে এইটার নতুনত্ব ও  সব সিস্টেম এররগুলোর যথাযথ ও পরিপূর্ণ  সমাধানের  ভিত্তির উপর দাঁড়িয়ে ।।


সারাংশঃ



  
Windows-10/11 এর জানালায় কি শেষমেশ Tiny-11 এর আলো ঢোকার  প্রবেশপত্র মিলবে?? আপনারা যারা যারা Windows-10/11ফোবিয়ায় ভুগছেন অর্থাৎ যাদের ডিভাইস যেমন কম্পিউটার, ট্যাবলেট, পিসি ইত্যাদি  বা যারা লো কনফিগারেশনের অর্থাৎ যাদের ডিভাইসে কেবল  উইন্ডোজ ভিস্টা, উইন্ডোজ এক্সপি এবং  উইন্ডোজ-২০০০ ইত্যাদি  অপারেটিং সিস্টেম ব্যতীত  অন্য কোনো অপারেটিং সিস্টেম ইন্সটল বা ব্যবহারযোগ্য নয় তাদের জন্য ডিভাইসের কনফিগারেশনের  সাথে তাল মিলিয়ে আপনাদের জন্য চলে এসেছে Tiny-11 নামের এক মিনি উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম।আপনাদের   নিশ্চয়ই কখনো না কখনো মনে হয়েছে এই বিষয়টি  একসময় না একসময় মনে হয়েছে যে,ইশ!! যদি আমার পিসিতে /ট্যাবলেটে উইন্ডোজ-১০/১১ ইন্সটল করতে পারতাম ?

তাহলে কত সুন্দর করেই না আমি উইন্ডোজ-১১ এর স্বাসমস্ত ফিচারসগুলো ব্যবহার করতে পারতাম!!!

  তাদের জন্য চলে এসেছে স্বপ্নের Tiny-11 নামের এই ছোট্ট  অপারেটিং সিস্টেমটি যেটি কেবল ২ জিবি র‍্যাম এবং ৮ জিবি  ডিস্ক স্টোরেজেই চলবে এবং যেকোনো কম বা লো সিস্টেম  কম্পপ্যাটিবিলিটি যুক্ত সিস্টেমে  এটি  নিমেশেই ইন্সটল করে  কম্পিউটারের ব্যাসি যাবতীয়  কাজগুলো করা যাবে ।।নাকি 

সিকিউরিটির এই নিশ্ছিদ্রহোলের পীড়নে পিষ্ট  কম্পিউটার নিরাপত্তাবেষ্টনীকে জলপট্টি পড়ানোর দ্বায়িত্বভার কি  কম্পিউটারকে বিষ তুলে দেওয়ার কাজটি কি  ভাইরাসই করবে। 

 

Comments